আলিজা
আলিজার অটিজম চিকিৎসার গল্প – আলহামদুলিল্লাহ, উন্নতির পথে এক ধাপ ধাপ এগিয়ে চলা
বয়স: ৪ বছর ১০ মাস চিকিৎসা শুরু: ২৬ এপ্রিল, ২০২৬ বর্তমান অবস্থা: ৪র্থ মাসের অটিজম হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা চলমান
অটিজম চিকিৎসা শুরুর আগে আলিজার অবস্থা
আলিজা যখন প্রথম আমাদের অটিজম চিকিৎসা কেন্দ্রে আসে, তখন তার পরিবার বেশ কয়েকটি চ্যালেঞ্জিং সমস্যা নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ছিলেন। শিশুর কথা বলতে না পারার পাশাপাশি, আলিজা তখন অতিরিক্ত অস্থিরতায় ভুগতো। এছাড়া অভিভাবকরা লক্ষ্য করেছিলেন–
- অতিরিক্ত অস্থিরতা
- মানুষকে কামড়ানো ও খামচি দেওয়ার প্রবণতা
- হাত দিয়ে আঘাত করা ও থুতু দেওয়া
- মাঝে মাঝে অতিরিক্ত হাইপার হয়ে যাওয়া
এই সম্মিলিত লক্ষণগুলো পরিবারের জন্য প্রতিদিনের জীবনযাপনকে কঠিন করে তুলেছিল।
অটিজম হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার যাত্রা
ঢাকায় অটিজম বিশেষজ্ঞ ডাক্তার হিসেবে পরিচিত ডাক্তার এম এ হক সম্পর্কে জানুন-এর তত্ত্বাবধানে অটিজম হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শুরু হওয়ার পর থেকে, আলিজা ধীরে ধীরে উন্নতির পথে এগোচ্ছে। আমাদের সেন্টারের প্রতিটি শিশুর জন্য পৃথকভাবে তৈরি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়, যা শিশুর নির্দিষ্ট লক্ষণ ও প্রয়োজন অনুযায়ী সাজানো। তিন মাসের অটিজম চিকিৎসাতেই পরিবার লক্ষণীয় পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছেন।
চিকিৎসার পর আলিজার বর্তমান অবস্থা
আলহামদুলিল্লাহ, আলিজার ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শুরুর পর থেকে অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলো – আলিজা এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি শান্ত ও স্থিতিশীল। তার পরিবার প্রতিটি ছোট অগ্রগতিতেই আনন্দিত, এবং আমাদের সেন্টারের টিম তাদের সাথে একসাথে কাজ করে যাচ্ছে যাতে আলিজা একটি স্বাভাবিক, স্বাচ্ছন্দ্যময় শৈশবের দিকে আরও এগিয়ে যেতে পারে।
আলিজার পরিবার আমাদের অটিজম চিকিৎসা কেন্দ্রের সেবা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এবং চিকিৎসার এই অগ্রগতিতে আশাবাদী।
🎥 আরও সাফল্যের গল্প দেখতে এই ভিডিওতে ক্লিক করুন
আপনার শিশুর মধ্যেও যদি কথা বলতে দেরি হওয়া, নাম ধরে ডাকলে সাড়া না দেওয়া, অতিরিক্ত অস্থিরতা, বা এই ধরনের অন্য কোনো লক্ষণ দেখেন, তাহলে দেরি না করে ঢাকায় অটিজম বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন – সময়মতো অটিজম চিকিৎসা শুরু করলে উন্নতির সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।
আপনার সন্তানের মধ্যেও কি এমন কোনো লক্ষণ দেখছেন? আজই একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করুন।